এমন কিছু কথা বলছি প্রতিনিয়ত ও অন্যান্য ॥ জহির খান


মাতাল হাওয়া

আমি নেই নেই কোথাও নেই
এই বেশ নেই পুরোনো শহর
স্মৃতি কথা কাকে বন্ধক দেই
তবুও বলিও তার তারপর

চুপচাপ পুষে অভিমান রাখো
টুপটাপ বসে কাম পুষি দ্রোহে

দেখি পোষা কুকুর সদর উঠোন
নুয়ে পরা হেমা মাসির ঘর-ছায়া
এই হারায় দূরে কোথাও বিষণ্ন-

দুপুর রোদ মায়া কি এমন ভাবো?
হে নুরজাহান বেগম অসংখ্য নামে

কেমন আছে সঁপে দেয়া মাতাল হাওয়া
রাত নদী দিলে এক বোল টুকরো গন্ধ


এমন কিছু কথা বলছি প্রতিনিয়ত
উৎসর্গ- প্রিয় বন্ধু লিটিল

বন্ধু আমার মায়ায় জড়িয়ে থাকো…থাকো
এই হবে বন্ধু আমার পূর্ণতা পুজো…প্রার্থনা
কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা অবিরাম আমার
আসো পড়াই পড়ি আমরা অর্ধেক জীবন

কসাই খানায় আঁকি অর্ধেক জীবন ছবি
কাল্পনিক অস্তিত্বের জন্যই অপেক্ষা করি

কথা ছিলো কোন একদিন…
পূর্ণিমার আলো চুরি করবো
চুরি করবো ঘাসফুলের গন্ধ
কিছুই হলো না কিচ্ছুতেই না

বাক্সবন্দি হয়ে মিউজিয়ামে গেলো পূর্ণিমার আলো
ঘাসফুলের গন্ধ ছড়িয়ে পড়লো কারো কারো গায়ে


স্বকীয়তা হারিয়ে

ঝড়ের বেগে চলছে সময়
অসমাপ্ত গল্পের পেছনে

তবুও নিষ্ঠুর গল্পের নায়ক
দেখার চেষ্টাই করলোনা

তোমাকে


বিজুলী আলোক

যায় সেই আরো এই একটি নতুন পৃথিবীর মায়া
গায়ে পায়ে নিয়নের আলো পড়ে মনে পড়ে যাপন
মনে করে নেয় দেয় মায়ামেঘ ধুলিমাখা উঠোন

লাল এক দীর্ঘ চিন্তা উড়ে যায় সেই- আকাশ

কালোজামা পড়া বণিকের ফার্ম হাউসের চাপ
নিলাম হয় মানুষের ভেতরের মানুষ আর চিন্তা

একজোড়া ডায়নোসর বাবার পিঠে উঠে উঠুক
জল তৃষ্ণায় ক্লান্তিতে বেঁচে থাক- থাকুক মুখ

দিন মাস বছর কতো কথা বেঁচে থাকে তাহলে

এখন প্রমিথিউস তীব্র প্রতিবাদ হয় মানুষ হোক
বটবৃক্ষকে সামনে রেখে এগুতে পারি ঠিক ঠিক