নূরন্নবী খান জুয়েলের ছড়া

আকার যখন সীমিত

এই যে আমি হাঁটছি সাথে হাঁটছো দেখি তুমিও
দূরত্বটা ঠিক কতটা মাপছি আকাশ ভূমিও।

ঠিক কতোটা হলে তুমি বলবে তাকে সীমিত
সাইজ মেপে বলবে ঠিক লেবেঞ্জুস বা মিমি তো।

যাচ্ছি তো রোজ ইচ্ছেমতো শপিংমল আর বাজারে
লোক সমাগম শ পেরিয়ে পৌঁছে গেছে হাজারে

ঠিক কতোটা হলে বলো যায় বলা যায় সীমিত
করোনাটা বাঁধলে বাসা জীবন হলে স্তিমিত?

দৌড় যখন খুব প্রয়োজন তখন হেঁটে বলছিলে
সীমিত এ দৌড় দিয়ে চোখের পাতা ডলছিলে

করোনা কি এসব বোঝে কার প্রয়োজন কতটা
তাই সীমিত রাখতে হবে বিবেক পারি যতটা।

নইলে আমি সাথে তুমি আরো পাড়া পড়শিতে
একই সাথে ঘায়লে হবো ঠিক করোনার বরশিতে।


করোনা বধের বিবিধ সূত্র

অধিক তাপে মরবে করোনা কেউ দিয়েছিল সূত্র
কেউ বলেছিলো থানকুনি খাও খেতে পারো গো-মূত্র।

কেউবা বলেছে স্বপ্নে করোনা তারে নাকি গেছে বলে
আসবেনা এই সোনার দেশে যাবে মাথা ঘেঁসে চলে।

কেউ বলছিলো এলকোহলের দুই বেলা নিতে শ্বাস
করোনা পালাবে দু একদিনেই দিয়েছিলো আশ্বাস।

শুকনা মরিচে আলু ভর্তায় গা ঘামা ঝালে ভাত
খেতে যদি পারো দুই বেলা করে করোনা যাবে নিপাত।

কেউতো স্রেফ বলেই দিয়েছে ফুসফুস খানা কেটে
স্যানিটাইজারে ধুলেই যাবে করোনার বুক ফেটে !

যে বিষয়ে নাই কিঞ্চিত জ্ঞান তা নিয়ে বাড়াবাড়ি
অতঃপর শেষে সোনার দেশে করোনা ভাঙলি আড়ি।

আজ তারা গেলো কোথায় হারিয়ে হায়রে অভাগা দেশ
জনতারে ফেলে মহা সঙ্কটে কেউ সাজে, দরবেশ।

এসব গল্প দূরে ঠেলে দিয়ে ঠিকঠাক নিন জেনে
নিরাপদ থাকি আপনার ঘরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে।