পুরস্কার মূল্যায়ন নয়, স্বীকৃতিও নয়, ভালোবাসা ॥ মোহাম্মদ নূরুল হক

সম্প্রতি প্রবন্ধ শাখায় বগুড়া লেখক চক্র পুরস্কার ২০২০-এ সম্মানিত হয়েছেন মোহাম্মদ নূরুল হক। পুরস্কার কাজের স্বীকৃতি। প্রাপ্তি এবং সাহিত্যের আজ ও আগামী নিয়ে সংক্রান্তির পক্ষে তার সঙ্গে কথা বলেছেন সালাহ উদ্দিন মাহমুদ



সংক্রান্তি : সাহিত্য পুরস্কার পেয়ে কেমন লাগছে? সাহিত্য পুরস্কার কি লেখককে যথার্থভাবে মূল্যায়ন করে?
মোহাম্মদ নূরুল হক : আমি এর আগে কখনোই সাহিত্য পুরস্কার পাইনি। এবারই প্রথম। সুতরাং পুরস্কার পেলে কেমন লাগছে আগে না বুঝলেও এবারের অভিজ্ঞতায় বলতে পারি, পুরস্কার লেখকের মূল্যায়ন নয়, স্বীকৃতিও নয়। পুরস্কার হলো লেখকের প্রতি রাষ্ট্র-সংঘ-প্রতিষ্ঠানের ভালোবাসা। ভালোবাসার বিনিময়ে ভালোবাসা। এরবেশি কিছু নয়। ভালোবাসা পেয়ে আমারও ভালো লাগছে।
পুরস্কার যে সবসময় লেখককে মূল্যায়ন করে, এমনটা বলা যায় না। তবে, হ্যাঁ, প্রকৃত যোগ্য লেখককে পুরস্কার দিলে একটি ভালো কাজ হয়। সাধারণ পাঠক ওই লেখকের দিকে নতুন করে তাকায়। আর পুরস্কারদাতাদেরও পুরস্কার দেওয়া সার্থক হয়। তারাও বিতর্কের বাইরে থাকতে পারেন।


সংক্রান্তি : আপনি দীর্ঘদিন ধরে লিখছেন। লিখতে গিয়ে অনেকের লেখাই পড়েছেন। একটি সার্থক লেখার গুণাবলী কেমন হওয়া উচিত বলে মনে করেন?
মোহাম্মদ নূরুল হক : লিখতে গিয়ে নয়, আমি অভ্যাসবশতই প্রচুর পড়েছি। কখনো লিখবো, তা ভাবিনি। আমার পড়াশোনার শুরু মূলত ক্লাস টু থেকে। ডেল কার্নেগির ‘প্রতিপত্তি ও বন্ধুত্ব লাভ’ ও ‘মীর মশাররফ হোসেনের ‘বিষাদ সিন্ধু’ দিয়েই আমার পড়াশোনার শুরু। বাবা ছিলেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। প্রতিদিন দুপুর দোকান বন্ধ করে বাড়ি আসতেন খাবার খেতে। খাওয়া শেষে তিনি কিছুসময় শুয়ে থাকতেন ঘরে চৌকিতে কিংবা পুকুর পাড়ে আমগাছের নিচে। তখন তাকে ‘বিষাদ সিন্ধু’ পড়ে পড়ে শোনাতে হতো। এভাবেই আমার পাঠাভ্যাস গড়ে ওঠে।

একটি সার্থক লেখার প্রধান গুণ এর প্রাণ। এখন প্রশ্ন উঠতে পারেন প্রাণ কী? প্রাণ হলো, সেই বস্তু, যা থাকলে তার অস্তিত্ব সহজেই দেখা যায়, অনুভব করা যায়। এক্ষেত্রে গল্প-উপন্যাসে কাহিনি, চরিত্র, সংলাপ, ভাষা; প্রবন্ধে যুক্তি-তর্ক, এর ভাষা; কবিতা-ছড়ায় এর ছন্দ, ভাষা-বিষয়।
অবশ্যই এসবই লেখকের নিজস্ব কৌশলগত হতে হবে। অন্যের অনুকরণসর্বস্ব রচনাকে আমি গল্প-উপন্যাস-প্রবন্ধ-কবিতা-ছড়া বলবো না। অর্থাৎ লেখককে লেখালেখির ব্যাকরণগত সব শর্ত মেনে চলার পর তার নিজস্ব কণ্ঠস্বরেই কথা বলতে হবে। তবেই তিনি লেখক। না হয় তিনি অন্যের বংশীবাদক, প্রতিধ্বনিকারক। লেখক নন কিছুতেই।


সংক্রান্তি : আপনি সাহিত্যের অনেক শাখায় কাজ করছেন। তাই সমকালীন কবিতা, গল্প, উপন্যাস ও প্রবন্ধ সম্পর্কে আপনার অভিমত জানতে চাই।
মোহাম্মদ নূরুল হক : অনেক না আমি সাহিত্যের মাত্র তিনটি শাখায় কাজ করছি। গল্প, প্রবন্ধ, কবিতা। তবে গল্প এখন আর লিখি না। কারণ আমি যে ভাষায় গল্প লিখি, সে জীবন চিত্রিত করি, সে জীবন ও সে ভাষা আমাদের সমাজ সহজে গ্রহণ করে না। করবেও না। তাই গল্প লেখা বাদ দিয়েছি।
কবিতা-প্রবন্ধেই আমি নিবিষ্ট।

সমকালীন কবিতার কথা বলতে গেলে, অনেকেই হতাশ হবেন। অনেকেই ক্রদ্ধ হবেন। কারণ সমকালীন কবিতার কবিতার অবস্থা খুবই শোচনীয়। কবিতা লিখছেন মাত্র হাতেগোনা তিন চারজন। বাকিরা সময়ের বুদবুদ। অথচ দখল করে রেখেছেন মিডিয়া। আর এই মিডিয়ার দৌরাত্ম্যে প্রকৃত কবিরা প্রায় আড়ালেই চলে গেছেন। বিষয়টি লজ্জাজনক। আমার বিবেচনায় কবিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য জাকির জাফরান, ফেরদৌস মাহমুদ, ইমতিয়াজ মাহমুদ, চন্দন চৌধুরী, তুহিন তৌহিদ, মামুন রশীদ, চাণক্য বাড়ৈ, শামীম হোসেন, মনিরুল মনির, ইমরান মাঝি প্রমুখ। আরও একজনের কথা বলা যেতে পারতো, কিন্তু তার নাম এখানে উল্লেখ করতে চায় না। কারণ তার আদর্শগত দিক নিয়ে আমি সন্দিহান।

গল্প-উপন্যাসের ক্ষেত্রে, গল্পের কাজ বেশ ভালো। বেশ কয়েকজন গল্পকার এ সময়কে আলোড়িত করেছেন। এরমধ্যে কাজী মহম্মদ আশরাফ, আনিফ রুবেদ, আশান উজ জামান, রফিকুজ্জামান রণি, হামিম কামাল, ইলিয়াস বাবর, নাহিদা নাহিদ, কামরুন নাহার, ফারহানা রহমান, শিল্পী নাজনীন, মোজাফফর হোসেন, রুমা মোদক, শারমিন রহমান, সালাহ উদ্দিন মাহমুদ প্রমুখের নাম বলতে হয়।

আর প্রবন্ধের কথা বলতে গেলে, এর সংখ্যার দিক বিবেচনায় খুবই কম। তবে, মানের কথা বলতে গেলো টোটাল সাহিত্য ক্ষেত্রে এখন প্রবন্ধই শক্তিশালী। প্রবন্ধে বেশ কয়েকজন শক্তিমান লেখক রয়েছেন। এরমধ্যে হামিম কামরুল হক, কাজী মহম্মদ আশরাফ, মামুন রশীদ, কুমার দীপ, ফারুক সুমন, রাকিবুল রকি, মঈন শেখ, রঞ্জনা বিশ্বাস, মোজাফফর হোসেন উল্লেখযোগ্য।


সংক্রান্তি : সমকালীন সমালোচনা সাহিত্য অনেকটাই দুর্বল, বেশিরভাগই লেখকের গুণগান আর সম্পর্কের চর্চা বলে মনে হচ্ছে। আপনি এ সম্পর্কে কী বলবেন?
মোহাম্মদ নূরুল হক : ‘সমকালীন সমালোচনা সাহিত্য অনেকটাই দুর্বল মনে হচ্ছে’- এটি কার মনে হচ্ছে? আর কার সমালোচনামূলক সাহিত্য পাঠ করে এমন মনে হচ্ছে? এসব প্রশ্নের মীমাংসা আগে জরুরি। কারণ সমালোচনা সাহিত্যে ঝাঁকে ঝাঁকে লেখক আসেননি। কয়েক লাখ কইয়ের ভিড়ে একজন বোয়াল হয়তো সমালোচনা সাহিত্যে এগিয়ে আসেন। এই সময়ে সমালোচনা সাহিত্য নিয়ে কাজ করছেন মাত্র দুই-তিন জন। তাদের প্রবন্ধ পড়ে দেখুন, তারা গুণগান করছেন কি না, না কি যথার্থ সমালোচনামূলক প্রবন্ধ লিখছেন। আপনি ঢালাওভাবে বললে এই সময়ের সমালোচনাসাহিত্য সম্পর্কে যথাযথ মূল্যায়ন করতে পারবেন না। সমালোচনা সাহিত্য হলো ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানোর মতো ব্যাপার। প্রচুর পঠন-পাঠন ও দায়বোধ না থাকলে কেউ সমালোচনা সাহিত্যে এগিয়ে আসেন না। যারা অনুরোধে ঢেঁকি গিলতে এসে দুই চার লাইন লেখেন, তারা সমালোচক নন, স্তাবক কিংবা নিন্দুক। এমন স্তাবক-নিন্দুকের সংখ্যা কয়েক শ আছে। এরা মূলত কোনো দৈনিকের সাহিত্য সম্পাদক যা লিখতে বলেন, তাই লেখেন। এই স্তাবক-নিন্দুক দিয়ে সমালোচনা সাহিত্যের বিচার করতে গেলে চলবে না।

এক অর্থে ধরতে গেলে এই সময়ের সমালোচনা ও প্রবন্ধ সাহিত্যই সবচেয়ে ঋদ্ধ। সাহিত্যের বাকি শাখায় হয় খরা চলছে, নয় অতি বর্ষণে প্লাবন চলছে।


সংক্রান্তি : বর্তমান ফেসবুক ও অনলাইন পোর্টালের কল্যাণে সাহিত্যচর্চা যেমন বেড়েছে; তেমন সাহিত্যের চৌর্যবৃত্তিও বেড়েছে। এর থেকে পরিত্রাণের কোনো উপায় আছে?
মোহাম্মদ নূরুল হক : চৌর্যবৃত্তি সব কালেই ছিল। এখনো আছে। আগে চৌর্যবৃত্তির ঘটনা সহজে ধরা না পড়লেও এখন দ্রুত ধরা পড়ে। সুতরাং ফেসবুকের কারণে চৌর্যবৃত্তি বেড়েছে, এমনটা বলা যায় না। চৌর্যবৃত্তি থেকে পরিত্রাণের সর্বোত্তম উপায় একটাই। ধরা পড়া মাত্রই তাকে বয়কট করা। তার সঙ্গে সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করা। কোথাও তার লেখা না ছাপানো।


সংক্রান্তি : আপনি কি সাহিত্যে দশক বিভাজনে বিশ্বাস করেন? সাহিত্যে দশক বিভাজন কি খুবই গুরুত্বপূর্ণ? যদি বিশ্বাস করেন, তবে নিজেকে কোন দশকের বলে দাবি করেন?
মোহাম্মদ নূরুল হক : না। আমি সাহিত্যে দশক বিভাজনে বিশ্বাস করি না। ২০০৯ সালে এই বিষয়ে আমি একটি প্রবন্ধ লিখেছিলাম, ‘সাহিত্যে দশক বিভাজন’ নামে। সেখানে বলেছি, দশক বিভাজন হলো সাহিত্যের বিষফোঁড়া।

সাহিত্যে দশক বিভাজন কোনো প্রয়োজনীয় বিষয় তো নয়, পরন্তু এটি স্টান্টবাজি। যারা লেখালেখিতে সফল হতে পারে না কিন্তু জনতার সামনে নিজেকে জাহির করতে চায়, তারা কোনো কোনো বিভাজনের সুযোগ নেয়। পুরো সাহিত্যের কোনো একটি বিশেষ শাখায় নিজের জন্য স্থান নির্ধারণ করতে ব্যর্থরাই দশক বিভাজন করে। এভাবে নিজেকে অমুক দশক, তমুক দশকের কবি-গল্পকার হিসেবে পরিচিত করতে চায়। আদতে তারা লেখক-কবিই নয়। সমাজের আবর্জনা মাত্র।

আমি নিজেকে কোনো দশকেরই মনে করি না। প্রকৃত লেখক কোনো দশকের হতে পারেন না। মাইকেল-রবীন্দ্রনাথ-নজরুল কোন দশকের বলতে পারেন?

সংক্রান্তি : সাহিত্যচর্চা করতে গিয়ে কখনো কারও দ্বারা প্রভাবিত হয়েছেন? যাদের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছেন, তারা কারা? কিংবা সেই প্রভাবের ধরনটি কেমন হতে পারে?
মোহাম্মদ নূরুল হক : আমার বেড়ে ওঠা একেবারেই প্রত্যন্ত অঞ্চলে। সেখানে সাহিত্যের অবাধ পাঠ কিংবা বই সংগ্রহ করা সম্ভব ছিল না। দ্বৈবক্রমে কারও বাড়িতে হয়তো ‘বিষাদ সিন্ধু’, ‘হাতেম তায়ী’র মতো দুই একটা বই পাওয়া যেতো। এসব পড়ে পড়ে নিজের মধ্যে আগে পাঠক সত্তা জেগে উঠেছে। পরবর্তী সময়ে লেখালেখিতে আগ্রহী হয়েছি। ধীরে ধীরে বই পড়ার সুযোগ বেড়েছে। পড়েছি বিচিত্র বই। রাজনীতি, দর্শন, ধর্ম, সমাজতত্ত্ব, নৃতত্ত্ব, আইন, অর্থনীতির বই পড়েছি বেশি। সাহিত্যের বই কমই পড়েছি। ওই অর্থে কারও দ্বারা প্রভাবিত হওয়ার সুযোগ ছিল না আমার। তবে, শৈশবে রবীন্দ্রনাথ আমাকে গ্রাস করে ফেলেছিলেন। তার বহু কবিতার প্যারোডি লিখেছিলাম। তেমনভাবে আর কেউ আমাকে প্রভাবিত করতে পারেননি।

সংক্রান্তি : ইদানিং পত্র-পত্রিকায় আপনার লেখা খুব বেশি চোখে পড়ে না। কী নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন? না কি লেখা প্রকাশিত না হওয়ার বিশেষ কোনো কারণ আছে?
মোহাম্মদ নূরুল হক : ২০১২ সালে আমি ইত্তেফাকের সাহিত্যপাতায় যোগ দেই। ওই সময় দেখেছি, অনেক নামি-দামি লেখকেরই মেরুদণ্ড নেই। তারা লেখা প্রকাশের জন্য সাহিত্য সম্পাদকের কাছে কী পরিমাণ নতজানু হয়ে থাকেন। এসব দেখে দৈনিকের সাহিত্য পাতায় লেখার আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছি। অথচ এর আগে প্রতি সপ্তাহে ৪/৫ টি দৈনিকের সাহিত্য পাতায় আমার প্রবন্ধ-গল্প-কবিতা-রিভিউ থাকতোই। কিন্তু ২০১২ সালের পর দৈনিকে লেখা বন্ধ করে দিয়েছি। এরপর যা কিছুই লিখি, সরাসরি বই করি। তবে ওয়েবম্যাগ চিন্তাসূত্রে লিখি। এছাড়া কোথাও লিখি না। কিন্তু কলাম জাতীয় লেখা হলে বিভিন্ন নিউজ পোর্টালে লিখি।

সংক্রান্তি : একসময় আপনি ছোটকাগজ সম্পাদনা করেছেন। এখন আর সেগুলো নিয়মিত করছেন না। না করার পেছনের কারণগুলো বলবেন কী?
মোহাম্মদ নূরুল হক : আমি চারটি ছোটকাগজ সম্পাদনা করতাম। মেঠোপথ, চিন্তাসূত্র, প্রাকপর্ব ও অনুপ্রাস। ২০১১ সালের পর আর এসব ছোটকাগজ বের হয় না। ওই সময় আমি দৈনিক আমাদের সময়ে যোগ দেই। এর কিছু দিন পর আমি বার্তা সম্পাদকের দায়িত্ব নেই। যারা সংবাদপত্র সম্পর্কে ধারণা রাখেন, তারা জানেন, বার্তা সম্পাদকের পক্ষে ছোটকাগজ সম্পাদনা করা কতটা কঠিন।

সংক্রান্তি : বাংলা সাহিত্যের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আপনার অভিমত জানতে চাইবো। সাহিত্যচর্চার ক্ষেত্রে আমরা কি সঠিক পথে রয়েছি বলে মনে করেন?
মোহাম্মদ নূরুল হক : কবিতা সম্পর্কে বছর দুইয়েক আগে ‘বাংলা কবিতার ভবিষ্যৎ, ভবিষ্যতের কবিতা’ শীর্ষক এক প্রবন্ধে বলেছিলাম, ‘বাংলা কবিতার অতীত উজ্জ্বল, বর্তমান অন্ধকার, ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত।’ কবিতা বিষয়ে এখনো আমি সেই মতই বিশ্বাস করি।
আমার মনে হয় এসময়ে গল্প বেশ অগ্রসর। আমাদের নারী লেখকরা বেশি জীবনঘনিষ্ঠ ও চিন্তাশীল। পুরুষ লেখকরা যতটা ভাসা ভাসা ধারণা নিয়ে গল্প লিখছেন, নারীরা ততটাই গভীর চিন্তালব্ধ গল্পে নিজেকে নিয়োজিত করছেন। তবে, উপন্যাস কবিতার মতোই খরাক্লিষ্ট। মানসম্মত উপন্যাস আপাতত লেখা হচ্ছে না। যে সব উপন্যাস নিয়ে বাজারে মাতামাতি চলছে, এগুলো সময়ের বুদবুদ।

তবে, প্রবন্ধ এখন অনেক ঋদ্ধ। যে তিন চার জন লিখছেন, তাদের নাম আগেই উল্লেখ করেছি, তারা বেশ মননশীলন। চিন্তাশীল। যৌক্তিক তর্কবিতর্কের ভেতর দিয়ে নিজেদের বক্তব্য তারা উপস্থাপন করতে সক্ষম হয়েছেন।

সংক্রান্তি : আপনাকে ধন্যবাদ
মোহাম্মদ নূরুল হক : আপনাকেও ধন্যবাদ।