ফখরুল হাসান এর ছড়া


শীত

সূর্যিমামা রাগলো বলে তাই হাসেনি কাল
গোমড়া মুখে কুয়াশা আজ বিছিয়েছে জাল।
রাগ করো না লক্ষ্মী মামা আসো আমার বাড়ি
চিতই ভাপার সাথে দেবো খেজুর রসের হাঁড়ি।

সাতসকালে ভীষণ শীতে কষ্ট কী পাই
বুঝছ না তো অভিমানে কী করে বুঝাই!
ও মামা গো দোহাই তোমার একটু এবার হাসো
কুয়াশারই চাদর খুলে আমায় ভালোবাসো।


কোথায় সে গাঁ

পুকুর ছিলো নদী ছিলো
ছিলো সবুজ বন
শান্ত সবুজ গ্রামে এখন
ইটভাটার দহন।

নদীর জলে ভিজিয়েছি
আমার সারা গাত্র
সবুজ শ্যামল গাঁয়ে ছিলো
মাছে ভরা পাত্র।

গাছের ডালে শুনতে যে পাই
ময়না টিয়ার কান্না
বন্ধ করো বৃক্ষ নিধন
বলছি তো ভাই আর না।

কি হলো ভাই দেশের মানুষ
তোমরা কি আজ অন্ধ
চারপাশে যে ছড়িয়ে গেল
কালো ধোঁয়ার গন্ধ।


মস্ত একটা বীর

আহ্ বাঙালি মস্ত একটা বীর
ইস্যু পেলেই মাথা রয় না স্থির;
বিনা পয়সায় বাণী বেচে যায়
খাবার ঠিকই বাপের ঘরে খায়।

একটা দিনও খোঁজ নেয় না বাড়ির
খাবার আসে কোথা থেকে হাঁড়ির
ইস্যু বাজদের প্রতিদিনই ফাগুন
পুরো দেশে লাগে লাগুক আগুন।