ফুলতলার গল্প ॥ সমুদ্র হক


যশোর থেকে খুলনার দূরত্ব বেশি নয়। প্রায় ৬৮ কিলোমিটার। বিশেষ ধরনের ল্যান্ড রোভার গাড়িতে বিদেশী সংস্থার কর্মকর্তা তাসলিমা আনোয়ারের সঙ্গে বিকালের দিকে রওনা দিয়েছি। খুলনার পথে ফুলতলা উপজেলা সদরে কিছুক্ষণ থেকে তাসলিমার সঙ্গে ওই এলাকার লোনা পানি ও সুপেয় পানি নিয়ে কথা বলে খুলনায় গিয়ে থাকা। এই হলো প্রোগ্রাম। ফুলতলায় গিয়ে বিপত্তিটা ঘটলো।

ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তসলিমার দুরসম্পর্কের আত্নীয়। ওই কর্মকর্তার বাড়ি পাশের ডুমুরিয়া উপজেলায়। তসলিমা আনোয়ার দীর্ঘদিন বিদেশে থাকার পর দেশে এসে প্রোগ্রাম কমিউিনিকেশনস অফিসার হিসাবে যোগ দিয়েছেন। পদটি অনেকটাই বড়। কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ থেকে দুই পদ নিচে। এতবড় একজন কর্মকর্তার কাছাকাছি যাওয়া আমার মতো অতি ক্ষুদ্রাতি ক্ষুদ্র এক রিপোর্টারের পক্ষে প্রায় অসম্ভব। তাও আবার সফর সঙ্গী। তখন ঢাকায় আমি যে প্রতিষ্ঠানে কাজ করি সেটি একটি ফিচার সার্ভিস। এই সার্ভিসটি চলে বিদেশী অর্থে। আমরা দু’জন রিপোর্টার দেশের বিভিন্ন অঞ্চল ঘুরে বিদেশী সংস্থার অর্থায়নে যে কাজগুলো হয় যেমন প্রাথমিক শিক্ষা স্বাস্থ্য পুষ্টি, ওয়াটার এ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সেনিটেশন, বস্তি উন্নয়ন, ইন্টিগ্রেটেড বেসিক সার্ভিস তা সরেজমিনে দেখে ইনডেপথ রিপোর্ট করি। যা ওই ফিচার সার্ভিসটি ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের পত্র পত্রিকায় সরবরাহ করে। বেশির ভাগ কাগজই তা প্রকাশ করে।

এই মাতবরি করার দায়িত্ব বর্তেছে আমি ও খুলনার নন্দীর ওপর। দু’জনেই ঢাকায়। এর আগে ব্রিটেন ও ভারতের চারজন প্রশিক্ষকের তত্বাবধানে ডেভলপমেন্ট জার্নালিজমের ওপর তিন মাসের এক বিশেষ কোর্সে অংশগ্রহনের সূযোগ পাই। সারা দেশের ২০ জন সাংবাদিক এই কোর্সে সূযোগ পায়। আমার মতো চুনোপুটি কেমন করে যেন সুযোগটি পেল। কঠিন এক কোর্স। সকাল ন’টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত তো থিউরোটিক্যাল লেকচার। ৬ টার পর বিশেষ এ্যাসাইনমেন্ট রাত ন’টা পর্যন্ত। পরদিন নির্দিষ্ট শব্দের মধ্যে রিপোর্ট ও ফিচার লিখে জমা দেয়া। সপ্তাহে একদিন ছুটি সেই দিনও যে যার ইচ্ছে মতো প্রতিবেদন তৈরি করে জমা দিতে হবে। এমনই ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি অবস্থায় ঢাকার কেউ কেউ ফাঁকি দেয়া শুরু করল। তবে অনারারিয়ামটা ঠিকই নেয়। সপ্তাহের পরীক্ষায় তারা টিটিপি (টেনেটুনে পাশ)।

আমার তখন অস্তিত্বের লড়াই। বাবা মারা যাওয়ার পর ভাইদের কাছ থেকে কিছুটা ডিপ্রাইভড। তা ছাড়া বাড়ির বড় ছেলে হিসাবে গাধা খেতাবটি জুটেছে। স্টিল ফটোগ্রাফিতে কাজ করায় এনালগ যুগের ক্যামেরার কাজটি ভালোই রপ্ত করেছিলাম। এর পাশপাশি বিচ্ছিন্নভাবে লেখালেখির কারনে এই ছাড়া কোন কাজ পারি না। এর মধ্যে এত বড় একটা সূযোগ যখন জুটেছে তখন যারপর নেই লেখাপড়া ও প্রাকটিক্যাল শুরু করেছি। তিন মাস পর ফাইনাল পরীক্ষায় আমি ও খুলনার নন্দী কেমন করে যেন ব্রাকেটে ফার্স্ট হলাম। অর্থাৎ সমান নম্বর। তখন ফ্রি ল্যান্স সাংবাদিকতা করতাম। এই প্রশিক্ষনের পর ওই ফিচার সার্ভিসে কাজ জুটলো দু’জনের। কি আনন্দ আকাশে বাতাসে।

দেশের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্ত বিদেশী অর্থে ঘোরাঘুরি থাকা আর রিপোর্ট লেখা। পরিশ্রম হলেও আনন্দ। এর মধ্যে অফিসে কর্মকর্তা তসলিমা এসে ব্রিফ দিতে শুরু করলেন। হালকা ফর্সা হলেও নজর কাড়া সুন্দরী। অফিসের বসেরা তো খাতির যত্ন করতে ব্যাকুল। ইংরেজি বাংলা মিশিয়ে কথা বলেন। চলনে বলনে বিদেশী ভাব। জিনস টি সার্ট পরলে তো জুহি চাওলা। বসেরাই তাকে নিয়ে পাগল প্রায় আমরা কোন ছাড়। এর মধ্যে হঠাৎ একদিন আমাদের কক্ষে প্রবেশ করে বললেন এই হাতের লেখা কার, ছবিগুলো কার তোলা প্রোগ্রামের কনসেপ্টটা কে তৈরি করেছে! নন্দীর দিকে তাকাতেই ও আমার দিকে ইশারা করে বলল, বল না এ সবই তোর করা। নিজের কথা কি আর বলা যায়। কাজটিই নন্দীই সেরে দিল। বলা নেই কওয়া নেই হুট করে ম্যাডাম বলে বসল- কাম উইথ মি। সেরেছে।

হেড অফিসে নিয়ে গিয়ে আরও না জানি কত কাজ দেয়, না বকুনিই দেয়। কিছু বুঝে উঠতে পারছি না। ঘৃুরে বেড়ানো আমার পছন্দ। এখন যদি টেবিলে বসিয়ে দেয় তো হয়েছে। নানা চিন্তার মধ্যে গাড়ি থেকে নেমে ম্যাম তো গ্যাট গ্যাট করে উপরে উঠলেন। প্রোটোকল মেইনেটেইন হচ্ছে কি না ভেবে ওয়েটিং রুমে একটু দাঁড়াতেই ম্যাম মিস্টি করে বললেন নো নো রুমে। তাপানুকূল ঘরে এখন ঘেমে যাওয়ার মতো অবস্থা। ম্যামের বাড়ি খুলনায়। বাবার চাকরির সুবাদে বগুড়া ভিএম স্কুলে ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত অধ্যয়ন করেছেন। কিশোর বেলার স্মৃতি তার ভালোই মনে আছে। কি মিষ্টি হেসে কথা বলেন। এত কিছু অবলোকন করার পর বললেন আপনাকে আমার কাজে লাগবে। স্পেশাল কিছু কাজ করার জন্য। ঘুরে ঘুরে রিপোর্টের বাইরে ডকুমেন্টেশনের ছবি তোলা, ভিডিওর স্ক্রিপ্ট করা, দরকার হলে এডিট করা এবং চিত্রগ্রহনের সময় স্পটে থাকা, কোন অনুষ্ঠানের সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করা এবং তিনি যা নির্দেশ দেবেন সেই মতো কাজ করা। মাথায় বাজ পড়ার মতো অবস্থা। এখন মাইনে টা ঠিকমতো থাকলে হয়।
এত কাজ কি আমার পক্ষে করা সম্ভব। এই কথা ভাবতেই তিনি ইংরেছিতে বললেন- ইউ উইল গেট ইউর রিমুনারেশন ডিপেন্ডস অন ইউর ক্রিয়েটিভিটি। আই থিংক দ্যাট রিমুনারেশন মে একসেপটেবল ফর ইউ। আই লাইক ক্রিয়েটিভ ওয়ার্ক। থ্যাংকস। আমি বললাম ম্যাডাম ইফ আই টেক কোঅপারেশন ফ্রম মাই কলিগ নন্দী উড ইউ একসেপ্ট ইট। ম্যাডামের উচ্ছসিত কন্ঠে অবকোর্স। হি অলসো ওয়েলকাম ইন দিস পার্ট। যাক বাবা বাঁচা গেল বলে অফিসে আসতেই নন্দী বলল ‘তুমি কি আমারেও ফাঁসাইলা নাকি।’
বুঝতে বাকি রইলো না বিষয়টি নিয়ে নন্দীর সঙ্গে ম্যাডামের আগেই কথা হয়েছে। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই কি করে যেন বললাম নন্দী কে কারে ফাঁসাইল। নন্দীর উত্তর, দেখ দোস্ত তোমার মাথার মধ্যে কি সব উদ্ভট ভাবনা কিলবিল করে। তাছাড়া তুমি ভালো ছবি তোল, অনুষ্ঠান প্রেজেন্ট করো, স্মার্ট থাকো বলে ম্যাডামও বোধহয় তোমারেই পছন্দ করে তা ছাড়া আমার আর্থারইটসি তাই ভাবলাম তোমার দিকেই….। আমি বললাম ভালোই করেছো। খুলনা যশোর মিশ্রিত ভাষায় বললাম- হাঁড়ে হাঁড়ে টের পাবানে।

এরপর বেশিরভাগ সময়ই ম্যাডামেরর নির্দেশের জন্য কাছ যাওয়া। অবসরে গল্প গুজব করা। তিনিও আমাকে পরখ করতে লাগলেন। এক পর্যায়ে বললেন বগুড়ায় মেয়েরা তো ফরোয়ার্ড। স্পার্ক করলো, মনে ভাবলাম তার মানে কি! বগুড়ার ছেলেরা হাদারাম- দ্য এ্যাস (গাধা)। যুৎসই একটা উত্তর খুঁজতেই ডিপ্লোম্যাটের কায়দায় বললাম আমাকে দেখে কি রিভার্স মনে হয় ম্যাডাম। হাসি দিয়ে বললেন- নো আই ডোন্ট মিন ইট।…তারপর পরিচয়ের ধারাবাহিকতায় ধীরে ধীরে তিনি বলতে থাকেন পুরুষ জাতটা কি রকম। কাছে থেকে দেখেছেন। তার দিকে কতজন কি ভাবে এসেছিল। কি চেয়েছিল। এমনকি আমাদের অফিসের বসদের দু’জন কে কিভাবে ইনভাইট করেছে। কত রথি মহারথি কতভাবে কিভাবে তাকিয়েছে। কাছে ডেকেছে। প্রায় সেন্ট পার্সেন্টের প্রচ্ছন্ন দৃষ্টি ও আকাঙ্ক্ষা ঠোঁটের পরে বুক থেকে নিচের দিকে। এইসব কথা যখন বলেন তখন ঘাবড়েই যাই। একদিন তার জীবনের বেটার হাফের কথা বললেন। সে এতটা লোভী যে প্রণয়ের সময় বুঝতে পারেন নি। জীবন সঙ্গীর লক্ষ্য ছিল ঢাকার ধানমন্ডির বাড়িটির দিকে। সেক্রিফাইসে সেই বাড়িটি দিয়ে গুডবাই জানিয়ে বিদেশে পাড়ি দেয়ার অনেকটা সময় পর দেশে ফিরে এসেছেন ভালো চাকরি নিয়ে। তার পূর্বের জীবন সঙ্গী এখন আরেকজনের সঙ্গে।

কত কথা ম্যাডামের সঙ্গে। তিনি আমাকে নিয়ে চলেছেন ফিল্ডে। খুলনা যাওয়ার পথে অভয়নগর উপজেলার নোয়াপাড়ায় পৌঁছে রাস্তার ধারে চায়ের দোকানে বসে চা পানের পর মনে হলো এতবড় একজন কর্মকর্তার কোনই দ্বিধা সংকোচ নেই। বড় মাপের মানুষেরা বুঝি এ রকমই হয়। গাড়ির ড্রাইভার মনসুরের বাড়ি নোয়াপাড়ার কাছেই। ম্যাডাম হঠাৎ বলে বসলেন তোমার বাড়িতে যাবো। পাগল নাকি। যখন যেখানে ইচ্ছে গাড়ি দাঁড় করাচ্ছে। এ ভাবে চললে তো খুলনায় পৌঁছতে হবে রাতে। অবশ্য মনে মনে আমার ভালোই লাগছে। ম্যাডামের সান্নিধ্যের চেয়ে বেশি ভালো লাগছিল প্রতিটি স্টপেজেই লেখার অনেক কিছু পাচ্ছি। ফিচারে মানুষর কথাই মুখ্য। মেমোরিতে টুকে নিচ্ছি। এভাবে রেলগাড়ির চেইন টানার মতো থেমে থেমে ফুলতলায় পৌঁছতেই রাত ৮ টা।

নভেম্বর মাসের প্রথম দিকে। শীত শীত ভাব আছে। ফুলতলা উপজেলা কমপ্লেক্সের মধ্যে অফিসারদের থাকার জন্য রেস্ট হাউস গোছের একটা বাড়ির মতো বানিয়ে রাখা হয়েছে। কেউ বলে রেস্ট হাউস। কেউ বলে ডাক বাংলো। ফুলতলা থেকে খুলনার দূরত্ব প্রায় ২২ কিলোমিটার। সাধারণত অফিসাররা খুলনাতেই রাত্রি যাপন করে বলে ফুলতলায় সেভাবে ডাক বাংলো নেই। অনেক পুরানো এলাকা। এই রেস্ট হাউসের ড্রইং রুমে কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করছেন ম্যাডাম। বৈঠক শেষে ম্যাডামকে বললাম এখন কি খুলনার পথে। রাত প্রায় দশটা। ম্যাডামের উত্তর, এখানেই থাকলে হয়। রাতের উপজেলাটি দেখা যাক। তিনটি কক্ষের একটি বুকড। আরেকটি অগোছানো ময়লা জমে আছে। কেয়ারটেকার (কর্মকর্তা) বেশ বিব্রত বোধ করলেন। কেউ তো এভাবে থাকে না। ম্যাডাম আশ্বস্ত করলেন আমি তার সঙ্গে ওই কক্ষেই থাকবো। কোন হ্যাজিটেশন নেই। পাশের রুমের দুই অফিসারকে সরে যেতে হবে না, বা বিব্রত হওয়ার কিছু নেই। ওই কক্ষের অফিসারদ্বয় বোধকরি এমন বিব্রতকর অবস্থার মধ্যে কখনও পড়েননি চাকরি জীবনে। ম্যাডাম আমাকে ইঙ্গিতে অফিসারকে দেখিয়ে বললেন- হি ইজ নট মাই বয় ফ্রেন্ড নর উই আর মেকিং এ্যানি রিলেশন্স, ইট’স আওয়ার অফিসিয়াল ট্যুর ভ্যেলু। উই হ্যাভ টু কনসাল্ট আওয়ার ট্রিপ ফাইন্ডিংস। ম্যাডামের কথা আনন্দ দিল ঠিকই সঙ্গে ভাবনাতেও ফেলে দিল ভাগ্যিস মেমোরিতে নোট করছিলাম। এখন না জানি কি হয়।

রাতের খাবার সেরে রুমে প্রবেশ করতে প্রায় সাড়ে এগারোটা। ডাবল বেড। ম্যাডামের পরনে শাড়ি। আমার পরনে জিনসের প্যান্ট সার্ট। সঙ্গে কিছু আনা হয় নি। কে জানে ফুলতলায় রাত কাটাতে হবে। ম্যাডামের অনুরোধে কেয়ারটেকার সাহেব মাঝারি ধরনের এক ফ্লাস্কে চায়ের ব্যবস্থা করলেন। নাইট গার্ড নামের ব্যক্তিটি আমাদেরকে মাপছেন। বলতেও পারছেন না। ম্যাডাম কক্ষে প্রবেশ করেই বললেন বি ফ্রি। এতদিন আমরা যে কথা বলেছি সে ভাবেই বললেন। মস্ত ভাবনার জাল বিস্তার ঘটছে।

এইবার কোন বিপদে পড়লাম। ম্যাডামের সঙ্গে অভিনয়ের মাধ্যমে অন্তরঙ্গ হওয়ার চেষ্টা করছি আর ভাবছি তিনি কি বুঝতে পারছেন। এর মধ্যেই তিনি বলতে শুরু করছেন- এলাকার পরিস্থিতি কি দেখলাম। বললাম ম্যাডাম সোসিও ইকোনমিক বিষয়টি তো সহজ নয়। পানি ও সাধারণ স্বাস্থ্য যা দেখা গেল তাতে ডুমুরিয়ার অবস্থার চেয়ে যশোর বেল্ট অলমোস্ট ভালো। এ ভাবে কথা শুরু হতেই ম্যাডাম বললেন- বুঝতে পেরেছি ইউ টুক অল নোটস ইন মেমোরি। তারপর অনেক কথা…। আমার ভাবনা- এতদিন ম্যাডাম পুরুষদের সম্পর্কে যা বলেছেন তার কোন রূপ যদি আমার মধ্যে দেখতে পান আমার ব্যক্তিত্ব উড়ে গিয়ে ওদের মতোই হবে। এমনও তো হতে পারে ম্যাডাম পরীক্ষা করছেন কতটা পার্সোনালিটি ও বায়োলজির দ্বন্দ্বে কে পরভূত হয়। পৌরুষের দিকটিও ভাবছি। চাকরির দিকটিও ভাবছি। এদিকে গল্পের এমন ছন্দ শুরু হয়েছে যে ইচ্ছে করলেই অনেক কিছু ঘটতে পারে। তবে আমার ভাবনা চাকরি ঠিক রাখা এবং পার্সোনালিটি স্ট্রং রাখা। ইয়েস কার্ডের ভাবনার চেয়ে চাকরির ট্রাম্প কার্ড আগে। নানামুখি ভাবনায় শেষ পর্যন্ত রাত প্রায় সাড়ে তিনটার দিকে ম্যাডামকে বললাম সকালে খুলনা পৌছাতে হবে, একটু ঘুমিয়ে নেয়া যাক।