সাফওয়ান আমিনের কবিতা



শীতকাল


একজন মানুষের ততটুকই করার থাকে, যতটুকু তার সক্ষমতা। আয়ত্তের বাইরে যখন সবকিছু চলে যায়, ধীরে–ধীরে তখন গাছ থেকে পাতা ঝরতে শুরু করে।
মূলত সেই মানুষটার তখন শীতকাল।

আমি এমন এক মানুষকে চিনি, যে তার সক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। যতদিন, যতটুকু তার করার ছিল, সে তা শতভাগ করার চেষ্টা করেছে। এই মানুষটারও এখন শীতকাল।

গাছটি একটা সংসার। মানুষটি একজন বাবা। আর এখন তার শীতকাল।


মা

একদিন আমার মা জোনাকের আলোতে গেল চাঁদ কুড়াতে। আমি ছিলাম পিছু পিছু— টুপটাপ ঝরছিলো নক্ষত্রগুলোও!
মা গেল— চাঁদ কুড়াতে জোনাক আলোতে। আমিও গেলাম। বহুদূর গেল মা; যতদূর আর যায় না ডাক শোনা! এরপর কোনোদিন ফিরে আসেনি।
জোনাক সাক্ষী। মা, চাঁদ কুড়াতে এসে, নক্ষত্র হয়ে গেছে—


পিতা এবং পুত্রের ক্ষেত্র–স্বর

বটবৃক্ষ একজাতীয় মহীরুহ; যার শিকড়–কাণ্ডসমেত
পূর্ণাঙ্গ রুপ অন্য মহীরুহর মতোই ।

বটবৃক্ষকে ঘিরে রাখে নানা দিক থেকে আসা
শেকড়–বাকড় আর বিভ্রান্ত সব শাখা প্রশাখা—
প্রত্যেকটা দিককেই ভাবুন, এক–একটা থিংকিং স্ট্রাগল !

অথচ যদি একটা ডাল বা শাখার কথা বলি;
তার দেহ থেকে, শুধু সরল একক
থিংকিং স্ট্রাগল ভেসে ওঠে—

অতএব সমীকরণে পাই, উক্ত বটবৃক্ষ ও তার শাখার পার্থক্য এবং থিংকিং স্ট্রাগল বৃত্তান্ত—